Ad Code

Responsive Advertisement

বিবাহ রেজিস্ট্রেশন

বিবাহ রেজিস্ট্রেশন : ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:১

১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেশন) আইন অনুযায়ী প্রতিটি বিবাহ সরকার নির্ধারিত কাজী দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা আবশ্যক।

বিবাহ রেজিস্ট্রেশন না করা শাস্তিযোগ্যঅপরাধ। ১৮৭২ সালের খ্রিস্টান ম্যারেজ এ্যাক্ট অনুযায়ী খ্রিস্টানদের বিয়েরেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক।

খ্রিস্টান বিয়েতে রেজিস্ট্রেশন বিয়ের একটি অংশ হওয়ায় প্রায় সকল বিয়েরই রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা:২

 

কেউ যদি বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বিধান লঙ্ঘন করেন তাহলে তার ২ বৎসরের বিনাশ্রম কারাদন্ড বা

৩০০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ড হতে পারে। তবে রেজিস্ট্রেশন না হলে বিয়ে বাতিল হবে না। বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের

মাধ্যমে উভয়ের উপর কিছু দায়-দায়িত্ব বর্তায়। 

ব্যাখ্যা:৩

 

১৮৭২ সালের খ্রিস্টান ম্যারেজ এ্যাক্টঅনুযায়ী খ্রিস্টানদের বিয়ে সম্পাদিত হয়। খ্রিস্টান বিয়ে একটি ধর্মীয়অনুষ্ঠান এবং একটি পবিত্র চুক্তি।

খ্রিস্টান বিয়ে লিখিত মাধ্যমে সম্পাদিতহয় এবং রেজিষ্ট্রি বাধ্যতামূলকভাবে করতে হয়। খ্রিস্টান বিয়েরেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজনীয় ধাপগুলো হলো:

1.      বিয়ের পাত্র-পাত্রীর পুরো নাম ও ডাক নাম এবং পেশা বা অবস্থা

2.      পাত্র-পাত্রীর আবাসস্থল ও বাসস্থানের ঠিকানা

3.      পাত্র-পাত্রী কতদিন ধরে ঐ এলাকায় বসবাস করছে তার প্রমাণ পত্র

4.      বিয়ে সম্পাদনের চার্চ বা অন্যকোন স্থান

নোটিশ প্রাপ্তির পর চার্চের ধর্মযাজক নোটিশটি খোলা জায়গায় লাগিয়ে দেবেন। যাতে নোটিশটি সকলের নজরে আসে।

এভাবে নোটিশ কয়েক সপ্তাহ ঝোলানো থাকবে যাতে কারো কোনো আপত্তি থাকলে তিনি যেন আপত্তি করতে পারেন।

যদি কোন আপত্তি না পান তাহলে চার্চ প্রধান বিয়ের পক্ষগণের নিকট থেকে একটি ঘোষণা গ্রহণ করবেন।

এই ঘোষণাটি বিয়ের পক্ষগণ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়ে দিবেন যাতে থাকবে-

2) বিয়ের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে জানামতে এমন কোন ঘনিষ্ট আত্মীয়তা বা রক্তের সম্পর্ক নেই যাতে তাদের বিয়েতে আইনসম্মত বাধা আছে।

3)বিবাহের পাত্র-পাত্রী দুজনেই আইন অনুযায়ী সাবালক।

এই ঘোষণা সম্পন্ন হওয়ার কমপক্ষে ৪ দিন পর চার্চের ধর্মযাজক বিয়ের আবেদনকারীকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

সার্টিফিকেট জারির ২ মাসের মধ্যে বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

 

ব্যাখ্যা:৪

 

একটি ইউনিয়নে ১ জন সরকারি বিয়ে রেজিষ্টার দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকেন। এই রেজিষ্টার জেলা রেজিষ্টার এবং জেলা রেজিষ্টার চূড়ান্তভাবে

রেজিস্ট্রেশন মহাপরিচালকের অধীনে ও তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

ব্যাখ্যা:৫

   

রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজক, চার্চ অবইংল্যান্ড অথবা চার্চ অব স্কটল্যান্ড এর কোন যাজক, নির্বাচিত কোন বিশপ, খ্রিস্টান ম্যারেজ এ্যাক্ট ১৮৭২

এর আওতায়লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন মিনিষ্টার অব রিলিজিয়ন অথবা উক্ত এ্যাক্টের আওতায়নিযুক্ত কোন বিবাহ রেজিষ্টার খ্রিস্টান বিবাহ সম্পাদন ও   করতে পা

নিবন্ধককার্যালয়ের জন্য আপনার জন্ম স্থান বা স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা, প্রভৃতিধাপ পার হয়ে ওয়ার্ড পর্যন্ত নির্বাচন করতে হবে। অনলাইন জন্ম নিবন্ধনেরআবেদন ফরম প্রথমে বাংলায় (ইউনিকোড)ও পরবর্তীতে ইংরেজিতে পূরণের পরপ্রয়োজনীয় সম্পাদনা করে সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করুন। সংরক্ষণ বাটনে ক্লিককরলেই আবেদন পত্রটি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে স্থানান্তিরত হয়ে যাবে, আবেদনকারীর আর কোন সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। অতঃপর পরবর্তী ধাপে প্রিন্টবাটনে ক্লিক করলে আবেদন পত্রের মুদ্রিত কপি পাবেন। সনদের জন্য ১৫ দিনেরমধ্যে উক্ত আবেদন পত্রে নির্দেশিত প্রত্যয়ন সংগ্রহ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রেপ্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপিসহ নিবন্ধক অফিসে যোগাযোগ করুন।

ছবি

1_04sssssss

Post a Comment

0 Comments

Close Menu